নিজস্ব প্রতিবেদক :শুক্রবার ছুটির দিনে জুম্মার নামাজের ঠিক পরপরই কম্পন শুরু হওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। রাজধানীর বহুতল ভবনগুলো থেকে মানুষ দ্রুত নিচে নেমে আসে। ঢাকা ছাড়াও খুলনা, সাতক্ষীরা, যশোর, বরিশাল ও রাজশাহীসহ দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে কম্পনটি বেশি অনুভূত হয়েছে। এমনকি পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও উড়িষ্যার কিছু এলাকায়ও ঝাঁকুনি অনুভূত হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।
তাৎক্ষণিকভাবে দেশের কোথাও কোনো বড় ধরনের প্রাণহানি বা বড় ধরণের কাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতির সংবাদ পাওয়া যায়নি। তবে সাতক্ষীরা ও খুলনার বেশ কিছু পুরনো ভবনে ফাটল দেখা দেওয়ার খবর পাওয়া গেছে। জেলা প্রশাসন ও ফায়ার সার্ভিস সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টা ৪ মিনিটেও ৪.৬ মাত্রার একটি ভূকম্পন অনুভূত হয়েছিল। পর পর দুই দিন এমন কম্পনে জনমনে উদ্বেগ বাড়ছে। বিশেষজ্ঞরা এই ঘনঘন কম্পনকে বড় কোনো ভূমিকম্পের পূর্বাভাস হতে পারে বলে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন।