নিজস্ব প্রতিবেদক,রাজধানীতে জ্বালানি তেলের সংকট এখন চরমে। সোমবার (৯ মার্চ) সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসেও ডিজেল, পেট্রল ও অকটেনের জন্য হাহাকার দেখা গেছে ফিলিং স্টেশনগুলোতে। একদিকে তপ্ত রোদ, অন্যদিকে দীর্ঘ অপেক্ষা—সব মিলিয়ে নাভিশ্বাস উঠেছে নগরবাসীর। কোনো কোনো পাম্পে যানবাহনের সারি দেড় কিলোমিটার ছাড়িয়ে গেলেও তেলের দেখা মিলছে না। তেল না থাকা সত্ত্বেও পাম্পের সামনে ঠাঁই দাঁড়িয়ে আছেন শত শত চালক, কারণ অন্য পাম্পে যাওয়ার মতো তেলও অবশিষ্ট নেই তাদের গাড়িতে।
মিরপুর, কল্যাণপুর ও মোহাম্মদপুর এলাকার ফিলিং স্টেশনগুলোতে সকাল থেকেই ঝুলছে 'তেল নেই' সাইনবোর্ড। তবুও সেখানে মোটরসাইকেল ও ব্যক্তিগত গাড়ির দীর্ঘ লাইন। পাম্প ছাড়ছেন না কেন—এমন প্রশ্নে চালকদের উত্তর বেশ করুণ। অ্যাপে রাইড শেয়ারিং করা চালক সেলিম মিয়া বলেন, দেড় ঘণ্টা ধরে দাঁড়িয়ে আছি। রোজা রেখে রোদের মধ্যে বাইক ঠেলে অন্য পাম্পে নেওয়ার মতো শক্তি নেই। তেলের অপেক্ষায় আছি, যদি গাড়ি আসে।
সবচেয়ে ভয়াবহ চিত্র লক্ষ্য করা গেছে বিজয় সরণির ট্রাস্ট পাম্পে। সেখানে ব্যক্তিগত গাড়ির সারি জাহাঙ্গীরগেট ছাড়িয়ে মহাখালীর ইউনিভার্সাল মেডিকেল পর্যন্ত প্রায় দেড় কিলোমিটার বিস্তৃত হয়েছে। অন্যদিকে মোটরসাইকেলের লাইন পৌঁছেছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মূল ফটক পর্যন্ত। একই চিত্র আসাদগেটের তালুকদার ফিলিং স্টেশনেও, যেখানে চন্দ্রিমা উদ্যান সংলগ্ন লেকের সেতু পর্যন্ত ১.২৫ কিলোমিটার দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে।
পাম্প কর্তৃপক্ষ বলছে, সংকটের মূলে রয়েছে চাহিদার তুলনায় নগণ্য সরবরাহ। মিরপুর-২ নম্বরের স্যাম অ্যাসোসিয়েটস লিমিটেড পাম্পের ক্যাশিয়ার আরাফাত স্বপ্নীল জানান, গতকাল আসা ৪ হাজার ৫০০ লিটার অকটেন রাতেই শেষ হয়ে গেছে। তিনি বলেন, “গাড়ি ডিপোতে গেছে, কিন্তু তেল নিয়ে কখন ফিরবে তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এদিকে শেওড়াপাড়া এলাকার এ এস ফিলিং স্টেশনে শুধু ডিজেল পাওয়া গেলেও পেট্রল ও অকটেন না থাকায় ফিরতে হচ্ছে শত শত গ্রাহককে