সোনারগাঁও (নারায়ণগঞ্জ)প্রতিনিধি: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে সাবেক বিএনপি কর্মী রাজু আহম্মেদ হত্যা মামলায় স্থানীয় ‘শাহাদাত বাহিনী’ জড়িত থাকার অভিযোগ আরও জোরালোভাবে তুলেছেন নিহতের স্বজন ও এলাকাবাসী। তাঁদের দাবি, পরিকল্পিতভাবে এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন তাঁরা।
স্বজনদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে শাহাদাত প্রধানের অনুসারীদের সঙ্গে রাজুর বিরোধ চলছিল। রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর পরও তাঁকে বিভিন্নভাবে হুমকি দেওয়া হয়। সেই বিরোধের জের ধরেই গত রোববার রাতে তাঁর বাড়িতে হামলা চালিয়ে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করা হয়।
নিহতের বড় বোন সোনিয়া বেগম বলেন, আমার ভাইকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমরা হত্যাকাণ্ডে জড়িত প্রত্যেকের গ্রেপ্তার ও সর্বোচ্চ শাস্তি চাই।
এলাকাবাসীর দাবি, ঘটনার পর অভিযুক্ত ব্যক্তিরা এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে চলে গেছেন। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। দ্রুত গ্রেপ্তার না হলে তারা আরও কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেন।
অভিযোগের বিষয়ে স্থানীয় বিএনপি নেতা শাহাদাত প্রধান বলেন, তিনি এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত নন। তাঁর দাবি, তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ ভিত্তিহীন এবং বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তদন্ত করছে।
সোনারগাঁও থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আনোয়ার হোসেন বলেন, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় স্বজনদের আনা অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক দল কাজ করছে। তদন্তে যার সম্পৃক্ততা পাওয়া যাবে, তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে